ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং আন্দোলনরত গ্রাহকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাওলানা আবদুল হালিম।
রোববার (৭ জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হলে ‘নাগরিক মঞ্চ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি দাবি করেন, আন্দোলনরত গ্রাহকদের ন্যায্য দাবিগুলো দ্রুত মেনে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের বিভিন্ন সরকার ব্যাংকটি থেকে সুবিধা গ্রহণ করলেও বিভিন্ন সময়ে এটিকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নাগরিক মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীম। তিনি বলেন, নাগরিক মঞ্চ দেশের মানুষের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবসময় সোচ্চার। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের দুর্ভোগ নিরসন এবং ব্যাংকটির সুরক্ষায় প্রয়োজন হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাসিনুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ড. ফয়জুল হক, ফরিদুল আকবর, আবু ইউসুফ জোবায়ের উল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, কোনো দুর্নীতিবাজ, লুটপাটকারী বা ঋণখেলাপিকে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে সাধারণ গ্রাহকরা তা মেনে নেবেন না।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং আন্দোলনরত গ্রাহকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাওলানা আবদুল হালিম।
রোববার (৭ জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হলে ‘নাগরিক মঞ্চ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি দাবি করেন, আন্দোলনরত গ্রাহকদের ন্যায্য দাবিগুলো দ্রুত মেনে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের বিভিন্ন সরকার ব্যাংকটি থেকে সুবিধা গ্রহণ করলেও বিভিন্ন সময়ে এটিকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নাগরিক মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীম। তিনি বলেন, নাগরিক মঞ্চ দেশের মানুষের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবসময় সোচ্চার। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের দুর্ভোগ নিরসন এবং ব্যাংকটির সুরক্ষায় প্রয়োজন হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাসিনুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ড. ফয়জুল হক, ফরিদুল আকবর, আবু ইউসুফ জোবায়ের উল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, কোনো দুর্নীতিবাজ, লুটপাটকারী বা ঋণখেলাপিকে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে সাধারণ গ্রাহকরা তা মেনে নেবেন না।
