বাংলাদেশের ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স, জুডোসহ বিভিন্ন খেলার অসংখ্য জাতীয় ক্রীড়াবিদ গড়ে উঠেছেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাতীয় আবাসিক ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিকেএসপির সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু প্রতিভাবান শিক্ষার্থী নয়; বরং এখানকার শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ, আনন্দময় পরিবেশ এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, কোচ, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এই পরিবেশে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদরা নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পায়।
তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এত প্রতিভা ও দক্ষ কোচ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কেন আরও বেশি আন্তর্জাতিক পদক জিততে পারছে না?
এর সহজ উত্তর নেই। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, বিদেশে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অল্প বয়স থেকেই বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিজ্ঞতা তাদের সক্ষমতা বাড়াবে।
একই সঙ্গে আধুনিক স্পোর্টস সায়েন্স, পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং প্রতিটি খেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, প্রতিযোগিতা ও শারীরিক-মানসিক সুস্থতাকে সমন্বিত করে একটি কার্যকর ক্রীড়া উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
পাশাপাশি এমন একটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে কোনো শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াজীবনের মধ্যে একটি বেছে নিতে না হয়। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে একাডেমিক শিক্ষা ও উচ্চমানের ক্রীড়া প্রশিক্ষণের সফল সমন্বয় করেছে। বাংলাদেশেরও নিজস্ব বাস্তবতার আলোকে সেই ধরনের একটি কার্যকর মডেল গড়ে তোলার সময় এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স, জুডোসহ বিভিন্ন খেলার অসংখ্য জাতীয় ক্রীড়াবিদ গড়ে উঠেছেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাতীয় আবাসিক ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিকেএসপির সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু প্রতিভাবান শিক্ষার্থী নয়; বরং এখানকার শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ, আনন্দময় পরিবেশ এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, কোচ, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এই পরিবেশে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদরা নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পায়।
তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এত প্রতিভা ও দক্ষ কোচ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কেন আরও বেশি আন্তর্জাতিক পদক জিততে পারছে না?
এর সহজ উত্তর নেই। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, বিদেশে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অল্প বয়স থেকেই বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিজ্ঞতা তাদের সক্ষমতা বাড়াবে।
একই সঙ্গে আধুনিক স্পোর্টস সায়েন্স, পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং প্রতিটি খেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, প্রতিযোগিতা ও শারীরিক-মানসিক সুস্থতাকে সমন্বিত করে একটি কার্যকর ক্রীড়া উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
পাশাপাশি এমন একটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে কোনো শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াজীবনের মধ্যে একটি বেছে নিতে না হয়। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে একাডেমিক শিক্ষা ও উচ্চমানের ক্রীড়া প্রশিক্ষণের সফল সমন্বয় করেছে। বাংলাদেশেরও নিজস্ব বাস্তবতার আলোকে সেই ধরনের একটি কার্যকর মডেল গড়ে তোলার সময় এসেছে।
