আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে খুলনা জেলখানা ঘাটসহ মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।
ঢাকের শেষ ছন্দ, উলুধ্বনি, সিঁদুরের রাঙা আভা আর বিদায়ের সুর—সব মিলিয়ে উৎসবের শেষ দিনে পূজামণ্ডপগুলোতে বিরাজ করছে আনন্দ ও বিষাদের আবহ। পাঁচ দিনের পূজা-অর্চনা ও নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
বিজয়া দশমী উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, মিষ্টিমুখ ও সিঁদুর খেলার আয়োজন চলে। বিবাহিত নারীরা পরস্পরকে সিঁদুর পরিয়ে দেবীর কাছে মঙ্গল কামনা করেন। সন্ধ্যার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা। রোববার মহাসপ্তমী, সোমবার মহাষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের উৎসব।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন নৌকায়। দেবীর আগমন ও গমনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে নানা ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যাখ্যা।
এ বছর খুলনা জেলায় মোট ৮৮৭টি এবং খুলনা মহানগরে ৭৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। এরপর দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চলছে। সন্ধ্যার পর মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। বিদায়ের আবেগের মধ্যেও তাঁদের প্রত্যাশা আগামী বছর আবারও আনন্দ, উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ফিরে আসবেন দেবী দুর্গা। পাশাপাশি সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে খুলনা জেলখানা ঘাটসহ মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।
ঢাকের শেষ ছন্দ, উলুধ্বনি, সিঁদুরের রাঙা আভা আর বিদায়ের সুর—সব মিলিয়ে উৎসবের শেষ দিনে পূজামণ্ডপগুলোতে বিরাজ করছে আনন্দ ও বিষাদের আবহ। পাঁচ দিনের পূজা-অর্চনা ও নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
বিজয়া দশমী উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, মিষ্টিমুখ ও সিঁদুর খেলার আয়োজন চলে। বিবাহিত নারীরা পরস্পরকে সিঁদুর পরিয়ে দেবীর কাছে মঙ্গল কামনা করেন। সন্ধ্যার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা। রোববার মহাসপ্তমী, সোমবার মহাষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের উৎসব।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন নৌকায়। দেবীর আগমন ও গমনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে নানা ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যাখ্যা।
এ বছর খুলনা জেলায় মোট ৮৮৭টি এবং খুলনা মহানগরে ৭৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। এরপর দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চলছে। সন্ধ্যার পর মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। বিদায়ের আবেগের মধ্যেও তাঁদের প্রত্যাশা আগামী বছর আবারও আনন্দ, উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ফিরে আসবেন দেবী দুর্গা। পাশাপাশি সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।
