নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আব্দুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে আলোচিত জামালপুরের চরশী হাবিরুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও চালু হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০২৫ সালে এটি পুনরায় চালু করা হয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
মাদ্রাসাটি জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের চরশী খলিফাপাড়া এলাকায় অবস্থিত। প্রায় এক একর জমির ওপর পুরোনো একটি মসজিদের পাশে বর্তমানে তিনটি নতুন ভবনে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত নূরানি ও বাংলা মাধ্যমে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্থানীয়। তবে অতীতের কার্যক্রম নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে।
মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, ২০২৪ সালের পর তিনি প্রতিষ্ঠানটি সংস্কার করে ২০২৫ সালে পুনরায় চালু করেন। তার মতে, পূর্বে এটি প্রশাসনিকভাবে সিলগালা করা হয়নি, তাই নতুন করে চালু করতে আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে জামালপুর সদর থানার ওসি জানান, বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে এবং পুলিশ সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
স্থানীয়ভাবে মাদ্রাসাটির পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আব্দুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে আলোচিত জামালপুরের চরশী হাবিরুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও চালু হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০২৫ সালে এটি পুনরায় চালু করা হয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
মাদ্রাসাটি জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের চরশী খলিফাপাড়া এলাকায় অবস্থিত। প্রায় এক একর জমির ওপর পুরোনো একটি মসজিদের পাশে বর্তমানে তিনটি নতুন ভবনে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত নূরানি ও বাংলা মাধ্যমে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্থানীয়। তবে অতীতের কার্যক্রম নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে।
মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, ২০২৪ সালের পর তিনি প্রতিষ্ঠানটি সংস্কার করে ২০২৫ সালে পুনরায় চালু করেন। তার মতে, পূর্বে এটি প্রশাসনিকভাবে সিলগালা করা হয়নি, তাই নতুন করে চালু করতে আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে জামালপুর সদর থানার ওসি জানান, বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে এবং পুলিশ সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
স্থানীয়ভাবে মাদ্রাসাটির পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
