নীলফামারীর সৈয়দপুরে পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী জাহানারা-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার ১২ মে দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে তিনি থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তিনি থানার ভেতর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
আটকের পর থানার সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এবং বলেন, একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার। এতে থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় স্থানান্তর করা হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করে সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ঘটনার পর থানার বাইরে তার সমর্থকদের ভিড় জমে, অন্যদিকে উপস্থিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের মধ্যে উত্তেজনাও তৈরি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী জাহানারা-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার ১২ মে দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে তিনি থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তিনি থানার ভেতর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
আটকের পর থানার সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এবং বলেন, একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার। এতে থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় স্থানান্তর করা হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করে সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ঘটনার পর থানার বাইরে তার সমর্থকদের ভিড় জমে, অন্যদিকে উপস্থিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের মধ্যে উত্তেজনাও তৈরি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
