বাংলাদেশ পুলিশ-এর বিশেষ অভিযানে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ২৫.৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধারসহ মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার ১৩ মে ২০২৬ গভীর রাতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের নির্দেশনায় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। শহরের পৌরসভা এলাকা, কে কে রায় সড়ক, রাজবাড়ী ও রিজার্ভ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মাদককারবারি হিসেবে কাঞ্চন দাস (৩৫) ও অংকিতা চাকমা (৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২৫.৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া ইয়াবা কারবারের অভিযোগে সাজ্জাদ (২২)কে আটক করা হয়। একই অভিযানে মাদকসেবনের অভিযোগে নিয়তী রঞ্চন (৩২), লিটন চাকমা (২৬) ও অনুজ চাকমা (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে, জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাইদুল (২০) ও মো. ইসমাইল হোসেন (৩৩)কেও গ্রেফতার করা হয়।
রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান চলমান থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ পুলিশ-এর বিশেষ অভিযানে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ২৫.৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধারসহ মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার ১৩ মে ২০২৬ গভীর রাতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের নির্দেশনায় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। শহরের পৌরসভা এলাকা, কে কে রায় সড়ক, রাজবাড়ী ও রিজার্ভ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মাদককারবারি হিসেবে কাঞ্চন দাস (৩৫) ও অংকিতা চাকমা (৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২৫.৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া ইয়াবা কারবারের অভিযোগে সাজ্জাদ (২২)কে আটক করা হয়। একই অভিযানে মাদকসেবনের অভিযোগে নিয়তী রঞ্চন (৩২), লিটন চাকমা (২৬) ও অনুজ চাকমা (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে, জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাইদুল (২০) ও মো. ইসমাইল হোসেন (৩৩)কেও গ্রেফতার করা হয়।
রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান চলমান থাকবে।
