জানা যায়, বুধবার দুপুরে নোয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিকরা কাঁচা চা-পাতার কুঁড়ি তুলতে গেলে হঠাৎ একটি বিষধর সাপ দেখতে পান। এতে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চা-পাতা তোলার কাজ বন্ধ করে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যান।
পরে নোয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহাগ মাহমুদ বিষয়টি রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন জগদীশপুর বন বিট কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামকে জানান। খবর পেয়ে বন বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে।
পরে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে তাঁর নির্দেশনায় সাপটির প্রজাতি শনাক্ত করা হয়। এরপর সাপটিকে জগদীশপুর প্রকৃতি বনে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।
জগদীশপুর বন বিট কাম স্টেশনের ফরেস্টার জহিরুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে খাবারের সন্ধানে কিংবা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ অনেক সময় চা বাগানের ঝোপঝাড়ে চলে আসে। এ কারণে শ্রমিকদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চা বাগান বা আশপাশে বিষধর সাপ দেখা গেলে সাপটি মারার চেষ্টা না করে দ্রুত বন বিভাগ অথবা হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী অফিসে খবর দিলে বন বিভাগের কর্মীরা গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করবেন।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জানা যায়, বুধবার দুপুরে নোয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিকরা কাঁচা চা-পাতার কুঁড়ি তুলতে গেলে হঠাৎ একটি বিষধর সাপ দেখতে পান। এতে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চা-পাতা তোলার কাজ বন্ধ করে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যান।
পরে নোয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহাগ মাহমুদ বিষয়টি রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন জগদীশপুর বন বিট কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামকে জানান। খবর পেয়ে বন বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে।
পরে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে তাঁর নির্দেশনায় সাপটির প্রজাতি শনাক্ত করা হয়। এরপর সাপটিকে জগদীশপুর প্রকৃতি বনে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।
জগদীশপুর বন বিট কাম স্টেশনের ফরেস্টার জহিরুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে খাবারের সন্ধানে কিংবা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ অনেক সময় চা বাগানের ঝোপঝাড়ে চলে আসে। এ কারণে শ্রমিকদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চা বাগান বা আশপাশে বিষধর সাপ দেখা গেলে সাপটি মারার চেষ্টা না করে দ্রুত বন বিভাগ অথবা হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী অফিসে খবর দিলে বন বিভাগের কর্মীরা গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করবেন।
