শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

অর্থ সংকটে পরিবার, সমাজের সহানুভূতি কামনা

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত খাজা মিয়ার জন্য সহায়তার আবেদন

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত খাজা মিয়ার জন্য সহায়তার আবেদন
ছবি: খাজা মিয়া

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা-র গড়ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা খাজা মিয়া (৪৬) দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি মৃত কাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রীর শ্রমিক ছিলেন।

২০২৪ সালের শুরুতে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এর হেমাটোলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসক ডা. শাফিউল আজমের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করছেন।

প্রায় চার মাস চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থতা এলেও পরে আবার রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ফলে তাকে প্রায় প্রতি মাসেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সর্বশেষ ১ এপ্রিল ২০২৬ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েকদিন চিকিৎসার পর ১২ এপ্রিল বাড়ি ফেরেন।

খাজা মিয়ার পরিবারে স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার অসুস্থতায় পুরো পরিবার এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।

চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার সঞ্চিত অর্থ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। আত্মীয়-স্বজন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামান্য সহায়তায় কিছুদিন চিকিৎসা চললেও এখন তা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। জীবন বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।

দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক মানুষ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন খাজা মিয়া। সামান্য সহযোগিতাও তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত খাজা মিয়ার জন্য সহায়তার আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা-র গড়ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা খাজা মিয়া (৪৬) দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি মৃত কাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রীর শ্রমিক ছিলেন।

২০২৪ সালের শুরুতে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এর হেমাটোলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসক ডা. শাফিউল আজমের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করছেন।

প্রায় চার মাস চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থতা এলেও পরে আবার রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ফলে তাকে প্রায় প্রতি মাসেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সর্বশেষ ১ এপ্রিল ২০২৬ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েকদিন চিকিৎসার পর ১২ এপ্রিল বাড়ি ফেরেন।

খাজা মিয়ার পরিবারে স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার অসুস্থতায় পুরো পরিবার এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।

চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার সঞ্চিত অর্থ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। আত্মীয়-স্বজন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামান্য সহায়তায় কিছুদিন চিকিৎসা চললেও এখন তা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। জীবন বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।

দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক মানুষ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন খাজা মিয়া। সামান্য সহযোগিতাও তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত