সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন দুই সন্তানের এক জননী, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের কুসুম্বি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, স্থানীয় রেজাউল করিমের ছেলে আরাফাত হোসেনের সঙ্গে ওই নারীর প্রায় দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিলে আরাফাত ও তার পরিবার তাকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ অবস্থায় উপায়ান্তর না দেখে গত ১১ মে বিকাল থেকে ওই নারী প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে অনশনরত নারীকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় রাখা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দুই সন্তানের জননী হওয়া সত্ত্বেও প্রেমের টানে ওই নারী এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে ছেলের পরিবার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে রাজি নয়, ফলে এলাকায় অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাজিব সরকার রাজু জানান, প্রশাসনের নির্দেশনায় গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং সামাজিক বা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই নারী বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বিয়ের দাবিতে ওই নারী তার অনশন অব্যাহত রেখেছেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন দুই সন্তানের এক জননী, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের কুসুম্বি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, স্থানীয় রেজাউল করিমের ছেলে আরাফাত হোসেনের সঙ্গে ওই নারীর প্রায় দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিলে আরাফাত ও তার পরিবার তাকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ অবস্থায় উপায়ান্তর না দেখে গত ১১ মে বিকাল থেকে ওই নারী প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে অনশনরত নারীকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় রাখা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দুই সন্তানের জননী হওয়া সত্ত্বেও প্রেমের টানে ওই নারী এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে ছেলের পরিবার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে রাজি নয়, ফলে এলাকায় অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাজিব সরকার রাজু জানান, প্রশাসনের নির্দেশনায় গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং সামাজিক বা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই নারী বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বিয়ের দাবিতে ওই নারী তার অনশন অব্যাহত রেখেছেন।
