মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে নির্যাতন

বাগমারায় মবের কবলে মাছ ব্যবসায়ী, পুলিশের ভূমিকায় বিতর্ক

বাগমারায় মবের কবলে মাছ ব্যবসায়ী, পুলিশের ভূমিকায় বিতর্ক
ছবি : চেকপোস্ট

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চাঁইসাড়া গ্রামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে মবের কবলে ফেলে পুলিশের উপস্থিতিতেই ফাঁকা চেক ও নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয়দের জড়ো করে মব সৃষ্টি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বদলে পুলিশের উপস্থিতিতেই আসাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে চেক বই এনে তিনটি ফাঁকা চেক ও তিনটি ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী আসাদুল ইসলাম বলেন, আমাকে পরিকল্পিতভাবে আটকে রেখে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত হাসান সরদার দাবি করেন, যা হয়েছে পুলিশের সামনেই হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, পুলিশ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার না করে উল্টো ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় সহযোগিতা করেছে।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন আইনের শাসন যেখানে থাকার কথা, সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতেই যদি মব বিচার হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পাবে কোথায়?

#রাজশাহী #বাগমারা #মব_বিচার

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


বাগমারায় মবের কবলে মাছ ব্যবসায়ী, পুলিশের ভূমিকায় বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চাঁইসাড়া গ্রামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে মবের কবলে ফেলে পুলিশের উপস্থিতিতেই ফাঁকা চেক ও নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয়দের জড়ো করে মব সৃষ্টি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বদলে পুলিশের উপস্থিতিতেই আসাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে চেক বই এনে তিনটি ফাঁকা চেক ও তিনটি ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী আসাদুল ইসলাম বলেন, আমাকে পরিকল্পিতভাবে আটকে রেখে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত হাসান সরদার দাবি করেন, যা হয়েছে পুলিশের সামনেই হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, পুলিশ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার না করে উল্টো ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় সহযোগিতা করেছে।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন আইনের শাসন যেখানে থাকার কথা, সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতেই যদি মব বিচার হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পাবে কোথায়?


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত