সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় এক সংবাদকর্মীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছাতক থানাসহ তিনটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েল (৪৩) উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং জাতীয় দৈনিক যায়যায়দিন-এর ছাতক উপজেলা প্রতিনিধি।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মো. দুলু মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই বিকেল প্রায় ৪টার দিকে অভিযুক্ত তার ব্যবহৃত 'দুলু মিয়া' নামের ফেসবুক আইডি থেকে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি ও মানহানির আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগ ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ কমিশনার শেখ মুরসালিনের কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ছাতকে কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একজন পেশাদার সংবাদকর্মীকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা শুধু ব্যক্তিগত মানহানির বিষয় নয়, এটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্যও হুমকি।
সাংবাদিকরা প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সংবাদকর্মী যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের শিকার না হন, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মো. দুলু মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় এক সংবাদকর্মীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছাতক থানাসহ তিনটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েল (৪৩) উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং জাতীয় দৈনিক যায়যায়দিন-এর ছাতক উপজেলা প্রতিনিধি।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মো. দুলু মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই বিকেল প্রায় ৪টার দিকে অভিযুক্ত তার ব্যবহৃত 'দুলু মিয়া' নামের ফেসবুক আইডি থেকে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি ও মানহানির আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগ ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ কমিশনার শেখ মুরসালিনের কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ছাতকে কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একজন পেশাদার সংবাদকর্মীকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা শুধু ব্যক্তিগত মানহানির বিষয় নয়, এটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্যও হুমকি।
সাংবাদিকরা প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সংবাদকর্মী যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের শিকার না হন, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মো. দুলু মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
