রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

১২৬ স্কুলে শিক্ষক ঘাটতি

নাসিরনগরে ৩৩টি প্রাইমারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক, শিক্ষায় চরম সংকট

নাসিরনগরে ৩৩টি প্রাইমারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক, শিক্ষায় চরম সংকট
ছবি : চেকপোস্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চরম শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষকের আরও ৪৪টি পদ খালি থাকায় ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া না হওয়ায় অনেক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে ৩৬৪ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি থাকায় পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজে বাইরে যেতে হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষকদের দাবি, প্রধান শিক্ষককে প্রায়ই প্রশাসনিক কাজে বাইরে থাকতে হয়। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে। সহকারী শিক্ষকের ঘাটতিও শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উপজেলার শিক্ষক ও অভিভাবকরা দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

#নাসিরনগর #প্রাথমিক_শিক্ষা #শিক্ষক_সংকট

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


নাসিরনগরে ৩৩টি প্রাইমারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক, শিক্ষায় চরম সংকট

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চরম শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষকের আরও ৪৪টি পদ খালি থাকায় ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া না হওয়ায় অনেক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে ৩৬৪ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি থাকায় পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজে বাইরে যেতে হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষকদের দাবি, প্রধান শিক্ষককে প্রায়ই প্রশাসনিক কাজে বাইরে থাকতে হয়। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে। সহকারী শিক্ষকের ঘাটতিও শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উপজেলার শিক্ষক ও অভিভাবকরা দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত