ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন মো. কায়েস রাজা নামে এক যুবক। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তাঁর হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার ফুলপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহত কায়েস রাজা গোকর্ণ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
কায়েস রাজার অভিযোগ, বাবার চিকিৎসার জন্য তিনি ব্র্যাক ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ি থেকে ৭০ হাজার টাকা ঋণ নেন। মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সজীব নামে এক ইলেকট্রিশিয়ান।
পথিমধ্যে ইয়াকুব মিয়া নামে এক ব্যক্তি তাঁদের পথরোধ করে টাকার ব্যাগ চান বলে অভিযোগ করেন কায়েস। ব্যাগ দিতে দেরি করায় তাঁকে চাইনিজ ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর কাছ থেকে টাকার ব্যাগ ও স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগে কায়েস আরও জানান, পথচারী ও সঙ্গে থাকা সজীবের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তাঁকে প্রথমে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কায়েস রাজার দাবি, অভিযুক্ত ইয়াকুব মিয়াকে তিনি আগে চিনতেন না। কিছুটা সুস্থ হলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন মো. কায়েস রাজা নামে এক যুবক। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তাঁর হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার ফুলপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহত কায়েস রাজা গোকর্ণ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
কায়েস রাজার অভিযোগ, বাবার চিকিৎসার জন্য তিনি ব্র্যাক ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ি থেকে ৭০ হাজার টাকা ঋণ নেন। মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সজীব নামে এক ইলেকট্রিশিয়ান।
পথিমধ্যে ইয়াকুব মিয়া নামে এক ব্যক্তি তাঁদের পথরোধ করে টাকার ব্যাগ চান বলে অভিযোগ করেন কায়েস। ব্যাগ দিতে দেরি করায় তাঁকে চাইনিজ ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর কাছ থেকে টাকার ব্যাগ ও স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগে কায়েস আরও জানান, পথচারী ও সঙ্গে থাকা সজীবের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তাঁকে প্রথমে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কায়েস রাজার দাবি, অভিযুক্ত ইয়াকুব মিয়াকে তিনি আগে চিনতেন না। কিছুটা সুস্থ হলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
