ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের দক্ষিণ ডেবরা গ্রামে তীব্র দারিদ্র্যের এক মানবিক চিত্র সামনে এসেছে। থাকার মতো ভালো ঘর না থাকায় ৬০ বছর বয়সী মাকসুদা বেগমকে ছাগলের সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করতে হচ্ছে।
মাকসুদা বেগম ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. কাঞ্চন হাওলাদারের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, তার থাকার জন্য নিজস্ব কোনো ভালো ঘর নেই। ভাঙাচোরা একটি ঘরের এক পাশে তিনি ঘুমান, আর অন্য অংশে রাখা হয় তার পালিত ছাগলগুলো।
ঝড়-বৃষ্টি কিংবা শীত সব ঋতুতেই একই ঘরে ছাগলের সঙ্গে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পশুর সঙ্গে বসবাসের কারণে ঘরে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতে নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও রয়েছেন এই বৃদ্ধা।
মাকসুদা বেগম জানান, সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা। নিজের সামর্থ্যে নতুন বা ভালো একটি ঘর তৈরি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়েই ছাগলের সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করছেন তিনি।
জীবনের শেষ সময়ে নিরাপদ ও টেকসই একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই চান মাকসুদা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে একটি সরকারি বা সহায়তার ঘরের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাকসুদা বেগমের এমন জীবনযাপন অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে জীবনের শেষ দিনগুলো অন্তত স্বস্তিতে কাটাতে পারবেন তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের দক্ষিণ ডেবরা গ্রামে তীব্র দারিদ্র্যের এক মানবিক চিত্র সামনে এসেছে। থাকার মতো ভালো ঘর না থাকায় ৬০ বছর বয়সী মাকসুদা বেগমকে ছাগলের সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করতে হচ্ছে।
মাকসুদা বেগম ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. কাঞ্চন হাওলাদারের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, তার থাকার জন্য নিজস্ব কোনো ভালো ঘর নেই। ভাঙাচোরা একটি ঘরের এক পাশে তিনি ঘুমান, আর অন্য অংশে রাখা হয় তার পালিত ছাগলগুলো।
ঝড়-বৃষ্টি কিংবা শীত সব ঋতুতেই একই ঘরে ছাগলের সঙ্গে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পশুর সঙ্গে বসবাসের কারণে ঘরে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতে নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও রয়েছেন এই বৃদ্ধা।
মাকসুদা বেগম জানান, সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা। নিজের সামর্থ্যে নতুন বা ভালো একটি ঘর তৈরি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়েই ছাগলের সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করছেন তিনি।
জীবনের শেষ সময়ে নিরাপদ ও টেকসই একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই চান মাকসুদা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে একটি সরকারি বা সহায়তার ঘরের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাকসুদা বেগমের এমন জীবনযাপন অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে জীবনের শেষ দিনগুলো অন্তত স্বস্তিতে কাটাতে পারবেন তিনি।
