স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না—এ বিষয়টিও সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকেই নিরাপত্তার চাদরে দুর্গাপূজা উদযাপনের কথা বলেন। এ ধরনের শঙ্কা তৈরি হওয়া দুঃখজনক। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের অধিকার রয়েছে।
ধর্মীয় পরিচয়ের পাশাপাশি নাগরিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোনো না কোনো ধর্মাবলম্বী সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অন্যান্য ধর্মের মানুষও সেখানে বসবাস করেন। তাঁরা নিজ নিজ দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁদের অধিকারও স্বীকৃত থাকা উচিত।
বাংলাদেশেও সব ধর্মের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পূজার আয়োজন নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য
বক্তব্যে মন্ত্রী মজার ছলে বলেন, এবার সর্বোচ্চসংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি ও সর্বোচ্চ আনন্দ-উৎসবের আয়োজন হয়েছে। ভোটের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ হওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না হওয়ার আহ্বান
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ধর্মাবলম্বী হিসেবেই গণ্য করা হয় এবং ভবিষ্যতেও করা হবে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে মানুষ নিজেরাই বিচার করবেন, কোন সময়ে তাঁদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার বেশি সুরক্ষিত থাকে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমান নাগরিক অধিকার এবং সব ধর্মের মানুষের মর্যাদা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না—এ বিষয়টিও সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকেই নিরাপত্তার চাদরে দুর্গাপূজা উদযাপনের কথা বলেন। এ ধরনের শঙ্কা তৈরি হওয়া দুঃখজনক। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের অধিকার রয়েছে।
ধর্মীয় পরিচয়ের পাশাপাশি নাগরিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোনো না কোনো ধর্মাবলম্বী সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অন্যান্য ধর্মের মানুষও সেখানে বসবাস করেন। তাঁরা নিজ নিজ দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁদের অধিকারও স্বীকৃত থাকা উচিত।
বাংলাদেশেও সব ধর্মের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পূজার আয়োজন নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য
বক্তব্যে মন্ত্রী মজার ছলে বলেন, এবার সর্বোচ্চসংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি ও সর্বোচ্চ আনন্দ-উৎসবের আয়োজন হয়েছে। ভোটের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ হওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না হওয়ার আহ্বান
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ধর্মাবলম্বী হিসেবেই গণ্য করা হয় এবং ভবিষ্যতেও করা হবে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে মানুষ নিজেরাই বিচার করবেন, কোন সময়ে তাঁদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার বেশি সুরক্ষিত থাকে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমান নাগরিক অধিকার এবং সব ধর্মের মানুষের মর্যাদা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
