জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট ও কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে সমন্বিত জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের ন্যাশনাল কমিটি অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স (এনসিসিএফ) গঠন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কমিটির সভাপতি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন।
এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ স্থানীয় সরকার, পররাষ্ট্র, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, ভূমি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, শিল্প, বাণিজ্য, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, নৌপরিবহন, রেলপথ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন।
নতুন এই কমিটি বাংলাদেশের জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে জাতীয় রূপকল্প, লক্ষ্য ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে।
প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে জাতীয় কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়ন কাঠামো প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নেও কমিটি পরামর্শ দেবে।
দেশে কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং আর্টিকেল-৬ বাস্তবায়নে মনোনীত জাতীয় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম তদারকিও করবে এনসিসিএফ।
কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করবে। পাশাপাশি বিদ্যমান নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংস্কারের সুপারিশ করবে।
দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের দায়িত্বও থাকবে কমিটির।
এ ছাড়া বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটির কার্যক্রম তদারকি, প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আন্তঃমন্ত্রণালয় নীতিগত জটিলতা নিরসনেও সিদ্ধান্ত দিতে পারবে জাতীয় কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বছরে কমপক্ষে দুবার এনসিসিএফের সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সভা আহ্বান করা যাবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও থাকবে কমিটির।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট ও কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে সমন্বিত জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের ন্যাশনাল কমিটি অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স (এনসিসিএফ) গঠন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কমিটির সভাপতি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন।
এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ স্থানীয় সরকার, পররাষ্ট্র, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, ভূমি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, শিল্প, বাণিজ্য, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, নৌপরিবহন, রেলপথ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন।
নতুন এই কমিটি বাংলাদেশের জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে জাতীয় রূপকল্প, লক্ষ্য ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে।
প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে জাতীয় কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়ন কাঠামো প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নেও কমিটি পরামর্শ দেবে।
দেশে কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং আর্টিকেল-৬ বাস্তবায়নে মনোনীত জাতীয় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম তদারকিও করবে এনসিসিএফ।
কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করবে। পাশাপাশি বিদ্যমান নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংস্কারের সুপারিশ করবে।
দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের দায়িত্বও থাকবে কমিটির।
এ ছাড়া বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটির কার্যক্রম তদারকি, প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আন্তঃমন্ত্রণালয় নীতিগত জটিলতা নিরসনেও সিদ্ধান্ত দিতে পারবে জাতীয় কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বছরে কমপক্ষে দুবার এনসিসিএফের সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সভা আহ্বান করা যাবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও থাকবে কমিটির।
