ঢাকা মহানগর পুলিশের (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)) বাড্ডা থানায় দায়ের করা অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই অভিযানে অপহৃত শিশু উদ্ধার এবং মুক্তিপণের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আবু রায়হান (২৩), যিনি ভুক্তভোগী শিশুর প্রাক্তন শিক্ষক বলে জানা গেছে।
বাড্ডা থানা সূত্রে জানা যায়, ১১ মে বিকেলে উত্তর বাড্ডার একটি মাদ্রাসায় পড়তে যাওয়ার পথে ১০ বছর বয়সী ছাত্র নাসিরুজ্জামান নিরব অপহৃত হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার পরিবার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন।
ঘটনার পর বাড্ডা থানা দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ট্র্যাকিং ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে।
পরবর্তীতে ১৯ মে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানাধীন জাঙ্গালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে অপহৃত শিশুকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং মুক্তিপণের টাকা ফেরত আনা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ আরও জানায়, শিশু অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)) বাড্ডা থানায় দায়ের করা অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই অভিযানে অপহৃত শিশু উদ্ধার এবং মুক্তিপণের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আবু রায়হান (২৩), যিনি ভুক্তভোগী শিশুর প্রাক্তন শিক্ষক বলে জানা গেছে।
বাড্ডা থানা সূত্রে জানা যায়, ১১ মে বিকেলে উত্তর বাড্ডার একটি মাদ্রাসায় পড়তে যাওয়ার পথে ১০ বছর বয়সী ছাত্র নাসিরুজ্জামান নিরব অপহৃত হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার পরিবার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন।
ঘটনার পর বাড্ডা থানা দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ট্র্যাকিং ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে।
পরবর্তীতে ১৯ মে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানাধীন জাঙ্গালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে অপহৃত শিশুকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং মুক্তিপণের টাকা ফেরত আনা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ আরও জানায়, শিশু অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
