বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

শোকের ছায়া

ঠাকুরগাঁওয়ে বীরাঙ্গনা টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

ঠাকুরগাঁওয়ে বীরাঙ্গনা টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়
ছবি: চেকপোস্ট

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের বলিদ্বারা গ্রামে নিজ বাসভবনে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পারিবারিক শ্মশানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাতিজা বেগম, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, শ্রী টেপরী রানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক সাহসী ও সংগ্রামী নারী। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে গেছেন।

স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর জীবনসংগ্রাম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন।

#ঠাকুরগাঁও #বীরাঙ্গনা #মুক্তিযুদ্ধ

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


ঠাকুরগাঁওয়ে বীরাঙ্গনা টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের বলিদ্বারা গ্রামে নিজ বাসভবনে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পারিবারিক শ্মশানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাতিজা বেগম, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, শ্রী টেপরী রানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক সাহসী ও সংগ্রামী নারী। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে গেছেন।

স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর জীবনসংগ্রাম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত