হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীন শালটিলা ফরেস্ট বন বিটে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী ও ভিলেজারদের নিয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে শালটিলা বন বিট এলাকায় এ বৈঠকের আয়োজন করে বন বিভাগ। বনাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বন সম্প্রসারণ এবং বন সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শালটিলা বন বিট ফরেস্ট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল সানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন রঘুনন্দন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফয়সাল আলম। এ সময় সামাজিক বনায়নের অসংখ্য উপকারভোগী, ভিলেজার এবং রঘুনন্দন রেঞ্জের বিভিন্ন বন বিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বন কর্মকর্তা বলেন, বনাঞ্চলের গাছপালা কাটা বন্ধ, বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ নিশ্চিত এবং বনভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাহাড় ও টিলা কাটার কারণে ভূমি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে সামাজিক বনায়নের গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধেও বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের আওতায় উপকারভোগীদের সঠিকভাবে বাগান পরিচালনা এবং এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থনৈতিক সুফল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বন বিভাগের সঙ্গে উপকারভোগী ও স্থানীয় ভিলেজারদের সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বনের ক্ষতি, গাছ কাটাসহ যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য দ্রুত বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, শাহজীবাজার বন বিট ফরেস্ট শংকর চন্দ্র বীর, শাহপুর বন বিট ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায়সহ রঘুনন্দন রেঞ্জের বিভিন্ন বন বিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীন শালটিলা ফরেস্ট বন বিটে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী ও ভিলেজারদের নিয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে শালটিলা বন বিট এলাকায় এ বৈঠকের আয়োজন করে বন বিভাগ। বনাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বন সম্প্রসারণ এবং বন সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শালটিলা বন বিট ফরেস্ট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল সানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন রঘুনন্দন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফয়সাল আলম। এ সময় সামাজিক বনায়নের অসংখ্য উপকারভোগী, ভিলেজার এবং রঘুনন্দন রেঞ্জের বিভিন্ন বন বিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বন কর্মকর্তা বলেন, বনাঞ্চলের গাছপালা কাটা বন্ধ, বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ নিশ্চিত এবং বনভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাহাড় ও টিলা কাটার কারণে ভূমি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে সামাজিক বনায়নের গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধেও বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের আওতায় উপকারভোগীদের সঠিকভাবে বাগান পরিচালনা এবং এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থনৈতিক সুফল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বন বিভাগের সঙ্গে উপকারভোগী ও স্থানীয় ভিলেজারদের সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বনের ক্ষতি, গাছ কাটাসহ যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য দ্রুত বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, শাহজীবাজার বন বিট ফরেস্ট শংকর চন্দ্র বীর, শাহপুর বন বিট ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায়সহ রঘুনন্দন রেঞ্জের বিভিন্ন বন বিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
