নিহত জলিল মুন্সি কুলিবাগান এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানি জুট প্রেসের শ্রমিক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সকালে জলিল একজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে কুলিবাগান এলাকায় তার বাবার পান দোকানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় কারও সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে জলিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এতে জলিলের বুকের ডান পাশের ওপরের অংশে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় দৌলতপুর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। গুলি চালিয়ে তিন যুবক পালানোর সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল নামে এক যুবক অস্ত্র নিয়ে পাশের একটি বস্তিতে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশ বলছে, জলিলের কাছে আগে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মাদকসংক্রান্ত লেনদেনকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলেও ধারণা করছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তসহ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিহত জলিল মুন্সি কুলিবাগান এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানি জুট প্রেসের শ্রমিক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সকালে জলিল একজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে কুলিবাগান এলাকায় তার বাবার পান দোকানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় কারও সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে জলিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এতে জলিলের বুকের ডান পাশের ওপরের অংশে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় দৌলতপুর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। গুলি চালিয়ে তিন যুবক পালানোর সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল নামে এক যুবক অস্ত্র নিয়ে পাশের একটি বস্তিতে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশ বলছে, জলিলের কাছে আগে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মাদকসংক্রান্ত লেনদেনকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলেও ধারণা করছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তসহ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
