কোরবানির ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির একটি বিশেষ সময়। আর মাত্র ৫ দিন বাকি থাকায় এখন থেকেই সঠিক প্রস্তুতি না নিলে ঈদের দিন ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ঈদের সময় অতিথি ও আত্মীয়দের আনাগোনা বাড়ে। তাই আগেই ড্রইংরুম, বারান্দা ও বসার জায়গা পরিষ্কার করুন। পর্দা, বিছানার চাদর ও কুশন কভার ধুয়ে ফেলুন। ফ্রিজ ও ডিপ ফ্রিজ খালি ও পরিষ্কার করে রাখুন, কারণ কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করতে হবে। বাড়তি ডাস্টবিন বা বড় পলিথিন ব্যাগ প্রস্তুত রাখাও জরুরি।
কোরবানির ঈদ মানেই মাংসের নানা রান্না। তাই হাঁড়ি-পাতিল, ছুরি-কাঁটা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। মাংস কাটার জন্য আলাদা বোর্ড ও ধারালো ছুরি রাখুন। পেঁয়াজ, আদা-রসুন আগেই কেটে বা বেটে ফ্রিজে রাখলে ঈদের দিন সময় বাঁচবে।
পশু রাখার জায়গা পরিষ্কার ও নিরাপদ করুন। দড়ি, বালতি, পানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন। দক্ষ কসাই ঠিক করে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পর বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকে এবং দুর্গন্ধ কমে।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, জিরা, ধনে, গরম মসলা, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ও তেল আগেই কিনে রাখুন। কিছু মসলা ভেজে গুঁড়া করে এয়ারটাইট বয়ামে রাখলে রান্না সহজ হয়।
অতিথিদের তালিকা তৈরি করুন। খাবারের পরিকল্পনা আগে থেকেই ঠিক করুন। শরবত, সেমাই, মিষ্টি ও নাশতার উপকরণ প্রস্তুত রাখুন। পর্যাপ্ত প্লেট, গ্লাস ও টিস্যু আছে কি না নিশ্চিত করুন।
শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়া এড়াতে এখন থেকেই ছোট ছোট প্রস্তুতি গুছিয়ে নিন। সঠিক পরিকল্পনায় কোরবানির ঈদ হবে আরও সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময়।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির একটি বিশেষ সময়। আর মাত্র ৫ দিন বাকি থাকায় এখন থেকেই সঠিক প্রস্তুতি না নিলে ঈদের দিন ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ঈদের সময় অতিথি ও আত্মীয়দের আনাগোনা বাড়ে। তাই আগেই ড্রইংরুম, বারান্দা ও বসার জায়গা পরিষ্কার করুন। পর্দা, বিছানার চাদর ও কুশন কভার ধুয়ে ফেলুন। ফ্রিজ ও ডিপ ফ্রিজ খালি ও পরিষ্কার করে রাখুন, কারণ কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করতে হবে। বাড়তি ডাস্টবিন বা বড় পলিথিন ব্যাগ প্রস্তুত রাখাও জরুরি।
কোরবানির ঈদ মানেই মাংসের নানা রান্না। তাই হাঁড়ি-পাতিল, ছুরি-কাঁটা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। মাংস কাটার জন্য আলাদা বোর্ড ও ধারালো ছুরি রাখুন। পেঁয়াজ, আদা-রসুন আগেই কেটে বা বেটে ফ্রিজে রাখলে ঈদের দিন সময় বাঁচবে।
পশু রাখার জায়গা পরিষ্কার ও নিরাপদ করুন। দড়ি, বালতি, পানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন। দক্ষ কসাই ঠিক করে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পর বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকে এবং দুর্গন্ধ কমে।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, জিরা, ধনে, গরম মসলা, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ও তেল আগেই কিনে রাখুন। কিছু মসলা ভেজে গুঁড়া করে এয়ারটাইট বয়ামে রাখলে রান্না সহজ হয়।
অতিথিদের তালিকা তৈরি করুন। খাবারের পরিকল্পনা আগে থেকেই ঠিক করুন। শরবত, সেমাই, মিষ্টি ও নাশতার উপকরণ প্রস্তুত রাখুন। পর্যাপ্ত প্লেট, গ্লাস ও টিস্যু আছে কি না নিশ্চিত করুন।
শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়া এড়াতে এখন থেকেই ছোট ছোট প্রস্তুতি গুছিয়ে নিন। সঠিক পরিকল্পনায় কোরবানির ঈদ হবে আরও সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময়।
