আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস-এর জনপ্রিয় টকশো ৬০ মিনিটস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসরায়েল এখন নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম এবং সময় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা শূন্যে নামিয়ে আনার।
নেতানিয়াহু আরও জানান, ভবিষ্যতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্বে রূপ নেবে। তবে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে তা আরও বাড়তে পারে।
বর্তমানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আমলের একটি চুক্তির অধীনে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইসরায়েল প্রতি বছর প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সাহায্যের সবচেয়ে বড় প্রাপক, যেখানে মোট সহায়তা ১৭৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
গাজা যুদ্ধ চলাকালে এই বিপুল সহায়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে।
নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে ইসরায়েলকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস-এর জনপ্রিয় টকশো ৬০ মিনিটস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসরায়েল এখন নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম এবং সময় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা শূন্যে নামিয়ে আনার।
নেতানিয়াহু আরও জানান, ভবিষ্যতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্বে রূপ নেবে। তবে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে তা আরও বাড়তে পারে।
বর্তমানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আমলের একটি চুক্তির অধীনে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইসরায়েল প্রতি বছর প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সাহায্যের সবচেয়ে বড় প্রাপক, যেখানে মোট সহায়তা ১৭৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
গাজা যুদ্ধ চলাকালে এই বিপুল সহায়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে।
নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে ইসরায়েলকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
