মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

ইরান যুদ্ধের পর প্রথম বড় ধস, কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ইরান যুদ্ধের পর প্রথম বড় ধস, কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ কমে আসায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের নিচে নেমে যায়। একপর্যায়ে এর দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৭৪ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়ায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ব্রেন্ট ক্রুড ৭৫ ডলারের নিচে লেনদেন হলো।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে আসে। যুদ্ধ শুরুর আগে যার দাম ছিল প্রায় ৬৭ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। ফলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় তেলের দামও নিম্নমুখী হয়েছে।

যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। এই রুট দিয়ে দৈনিক প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহন হতো, যা বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানি ইতোমধ্যে যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থার প্রায় ৮৫ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের অপরিশোধিত তেল ফেরার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্যাঙ্কার চলাচল স্বাভাবিক হওয়া এবং ইরানি তেলের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনই সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম কমার প্রধান কারণ। যুদ্ধ চলাকালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৮ ডলারে উঠলেও বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

#তেলেরদাম #বিশ্বঅর্থনীতি #ব্রেন্টক্রুড

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


ইরান যুদ্ধের পর প্রথম বড় ধস, কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ কমে আসায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের নিচে নেমে যায়। একপর্যায়ে এর দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৭৪ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়ায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ব্রেন্ট ক্রুড ৭৫ ডলারের নিচে লেনদেন হলো।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে আসে। যুদ্ধ শুরুর আগে যার দাম ছিল প্রায় ৬৭ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। ফলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় তেলের দামও নিম্নমুখী হয়েছে।

যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। এই রুট দিয়ে দৈনিক প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহন হতো, যা বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানি ইতোমধ্যে যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থার প্রায় ৮৫ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের অপরিশোধিত তেল ফেরার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্যাঙ্কার চলাচল স্বাভাবিক হওয়া এবং ইরানি তেলের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনই সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম কমার প্রধান কারণ। যুদ্ধ চলাকালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৮ ডলারে উঠলেও বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত