যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার (১৩ মে) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ব্যবসায়ী নেতারা জানান, নিহত আনিসুর রহমান (৬৮) নওয়াপাড়া বাজারের সুপরিচিত ব্যবসায়ী এবং ‘মেসার্স জয়েন্ট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড’-এর পরিচালক ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনগুলো একসঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে।
মঙ্গলবার বিকেলে যশোর-খুলনা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। তারা ঘোষণা দেন, বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোরভাবে হরতাল পালন করা হবে। এসময় দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবা যেমন মাছ বাজার, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ওষুধের দোকান খোলা রাখা হয়েছে।
ব্যবসায়ী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী রোববার ও সোমবার আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে শিল্পশহর নওয়াপাড়াকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অচল করে দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মনির হোসেন (৩৯) নামে এক যুবককে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডাবলমুরিং থানার হাজিপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে অভয়নগর থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, আটক মনির হোসেন অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের চায়না বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং নওয়াপাড়া পীরবাড়ীতে খাদেম হিসেবে কাজ করতেন।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানান, তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার তাকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ মে সন্ধ্যায় গুয়াখোলা গ্রামে পীরবাড়ী মসজিদের সামনে নির্মাণাধীন ভবনের কাছে আনিসুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ৭ মে রাত পৌনে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী নাহিদা ইমাম বাদী হয়ে শাহ মো. মাহমুদসহ কয়েকজনকে আসামি করে অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার (১৩ মে) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ব্যবসায়ী নেতারা জানান, নিহত আনিসুর রহমান (৬৮) নওয়াপাড়া বাজারের সুপরিচিত ব্যবসায়ী এবং ‘মেসার্স জয়েন্ট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড’-এর পরিচালক ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনগুলো একসঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে।
মঙ্গলবার বিকেলে যশোর-খুলনা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। তারা ঘোষণা দেন, বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোরভাবে হরতাল পালন করা হবে। এসময় দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবা যেমন মাছ বাজার, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ওষুধের দোকান খোলা রাখা হয়েছে।
ব্যবসায়ী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী রোববার ও সোমবার আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে শিল্পশহর নওয়াপাড়াকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অচল করে দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মনির হোসেন (৩৯) নামে এক যুবককে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডাবলমুরিং থানার হাজিপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে অভয়নগর থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, আটক মনির হোসেন অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের চায়না বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং নওয়াপাড়া পীরবাড়ীতে খাদেম হিসেবে কাজ করতেন।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানান, তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার তাকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ মে সন্ধ্যায় গুয়াখোলা গ্রামে পীরবাড়ী মসজিদের সামনে নির্মাণাধীন ভবনের কাছে আনিসুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ৭ মে রাত পৌনে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী নাহিদা ইমাম বাদী হয়ে শাহ মো. মাহমুদসহ কয়েকজনকে আসামি করে অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
