বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী: হাজী দানেশ ক্যাম্পাসে চরম ভোগান্তি

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার উপদ্রব প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বিকেলবেলা এবং সন্ধ্যার সময় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কাছে মশা যেনো এক আতংকের নাম হয়ে দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসের পাশাপাশি আবাসিক হলগুলোতেও সন্ধ্যার পর মশার উৎপাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায়ও মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্প্রে করা বা কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় অসন্তোষ জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বিকেল হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গন, খেলার মাঠ, বোটানিক্যাল গার্ডেন, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণসহ বাশেরহাট সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করার পাশাপাশি, বিকেলবেলা অবসর সময়ে অনেক শিক্ষার্থীই ঘুরতে বের হয় এসব জায়গায়। তবে এই সময় মশার উপদ্রবে কোন জায়গায়ই স্থির হয়ে দাড়িয়ে থাকা সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীদের অনেকেই। মশার এমন বিস্তারের পিছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঝোপঝাড়, ড্রেন এবং ময়লা ফেলার স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করাকেও দায়ী করেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শহীদ নূর হোসেন হলের নিচতলার এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, অতিরিক্ত মশা। বিকেল এবং সন্ধ্যার কথা বাদ দিলাম, অনেকসময় দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে থাকতে হয়। মশা মারার জন্য দ্রুত স্প্রে করলে খুব উপকার হয়।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, মশার স্প্রে করেছে কিনা জানিনা। আমার চোখে পড়েনি। কিন্তু মশার উপদ্রব অনেক বেশি। হলের নিচতলা থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাসের কোথাও বিকেলবেলা দাড়িয়ে থাকা যায়না।মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্প্রে করার বিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি চিফ ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট এস. এইচ. এম. গোলাম সরোয়ার বলেন, স্প্রে করার জন্য আমাদের কাছে নিজস্ব যন্ত্রপাতি নেই, মেশিনের জন্য পৌরসভায় কথা বলেছি। কালকেই আবার যোগাযোগ করবো। ২-১ দিনের মধ্যেই স্প্রে করা হবে।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী: হাজী দানেশ ক্যাম্পাসে চরম ভোগান্তি