সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুশাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন কৌশলগত উচ্চতায় নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ আয়োজিত ‘কম্পারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ প্রত্যাশার কথা জানান।বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি জানান, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই), তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, মোংলা বন্দর উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক করিডরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী ৫০ বছরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।তিনি বলেন, চীনের উন্নত প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।হুমায়ুন কবির আরও বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পরিবহন, বিমান চলাচল, পর্যটন ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।তিনি জানান, বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে একটি গভর্নেন্স সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন, নীতিনির্ধারণ ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।দুই দেশের প্রতিনিধিদের মতে, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও কৌশলগত ভিত্তি পাবে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা