পহেলা বৈশাখের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কগুলোতে অফিসগামী মানুষের চাপ বেড়ে যায়। তবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গণপরিবহন না থাকায় ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
রাজধানীর নর্দা, নতুন বাজার, বাড্ডা, রামপুরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বাস স্টপেজগুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাস না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে দেখা গেছে। বাস এলেও ঠেলাঠেলি করে উঠতে গিয়ে নারী-শিশু ও বয়স্কদের পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি সমস্যায়।
অনেক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, “সকাল থেকেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি, বাসের সংখ্যা খুবই কম। কিছুক্ষণ পর পর একটা বাস এলেও এত ভিড় থাকে যে উঠা সম্ভব হয় না।” কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে সিএনজি অটোরিকশা কিংবা মোটরসাইকেলে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।
অফিসগামী এক চাকরিজীবী জানান, “আজ প্রথম অফিস খুলেছে, কিন্তু সময়মতো অফিসে পৌঁছানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন যদি ঠিকমতো চলত, তাহলে এতটা ভোগান্তি হতো না।”
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সকালের চাপ ছিল চরম। নগরবাসীর দাবি, যেকোনো উৎসব বা ছুটির পরপরই যেন গণপরিবহন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৫
পহেলা বৈশাখের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কগুলোতে অফিসগামী মানুষের চাপ বেড়ে যায়। তবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গণপরিবহন না থাকায় ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
রাজধানীর নর্দা, নতুন বাজার, বাড্ডা, রামপুরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বাস স্টপেজগুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাস না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে দেখা গেছে। বাস এলেও ঠেলাঠেলি করে উঠতে গিয়ে নারী-শিশু ও বয়স্কদের পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি সমস্যায়।
অনেক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, “সকাল থেকেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি, বাসের সংখ্যা খুবই কম। কিছুক্ষণ পর পর একটা বাস এলেও এত ভিড় থাকে যে উঠা সম্ভব হয় না।” কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে সিএনজি অটোরিকশা কিংবা মোটরসাইকেলে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।
অফিসগামী এক চাকরিজীবী জানান, “আজ প্রথম অফিস খুলেছে, কিন্তু সময়মতো অফিসে পৌঁছানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন যদি ঠিকমতো চলত, তাহলে এতটা ভোগান্তি হতো না।”
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সকালের চাপ ছিল চরম। নগরবাসীর দাবি, যেকোনো উৎসব বা ছুটির পরপরই যেন গণপরিবহন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ।
