চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা: দুই দিনে ৩৫১ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা: দুই দিনে ৩৫১ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশেই মারা গেছেন অন্তত ৩২৮ জন।

রবিবার (১৭ আগস্ট) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে-বুনের, সোয়াত, মানসেহরা, বাজাউর, তোরঘর, শাংলা, বাটাগ্রাম।

এছাড়া গিলগিট বালতিস্তানে ১২ জন এবং আজাদ কাশ্মীরে ১১ জন নিহত হয়েছেন।

বুনের জেলার বেশন্ত্রি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে দাফন-জানাজার জন্যও গ্রামের ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি। পাশের গ্রামের মানুষ এসে সহায়তা করেছেন। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

শুধু বেশন্ত্রি গ্রামেই হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালগুলোতে মৃতদেহ ও আহতদের ভিড়ে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।

উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম

  • প্রায় ২ হাজার উদ্ধারকর্মী নয়টি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় মৃতদেহ উদ্ধারে নিয়োজিত রয়েছেন।

  • রাতের আঁধার, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও সড়ক ভাঙনের কারণে কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

  • ইতোমধ্যে প্রাদেশিক সরকার জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম চালু করেছে।

  • ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি রুপি, এর মধ্যে বুনের জেলার জন্য বরাদ্দ ১৫ কোটি রুপি।

  • দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা: দুই দিনে ৩৫১ জনের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৫

featured Image

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশেই মারা গেছেন অন্তত ৩২৮ জন।

রবিবার (১৭ আগস্ট) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে-বুনের, সোয়াত, মানসেহরা, বাজাউর, তোরঘর, শাংলা, বাটাগ্রাম।

এছাড়া গিলগিট বালতিস্তানে ১২ জন এবং আজাদ কাশ্মীরে ১১ জন নিহত হয়েছেন।

বুনের জেলার বেশন্ত্রি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে দাফন-জানাজার জন্যও গ্রামের ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি। পাশের গ্রামের মানুষ এসে সহায়তা করেছেন। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

শুধু বেশন্ত্রি গ্রামেই হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালগুলোতে মৃতদেহ ও আহতদের ভিড়ে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।

উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম

  • প্রায় ২ হাজার উদ্ধারকর্মী নয়টি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় মৃতদেহ উদ্ধারে নিয়োজিত রয়েছেন।

  • রাতের আঁধার, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও সড়ক ভাঙনের কারণে কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

  • ইতোমধ্যে প্রাদেশিক সরকার জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম চালু করেছে।

  • ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি রুপি, এর মধ্যে বুনের জেলার জন্য বরাদ্দ ১৫ কোটি রুপি।

  • দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত