চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হতে পারে, তবে তা ২০২৬ সালের জুনের পর যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে তিনি নিজে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত জানাননি। বিষয়টি উঠে এসেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দি ইকোনমিস্ট-এ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনও দুর্বল এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটেনি। তিনি বলেন, “বিপ্লবের ৯ মাস পরও বড় কোনো পরিবর্তন আনা সহজ নয়।”

ড. ইউনূস জানান, ‘ঐকমত্য কমিশন’ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একত্রে ‘জুলাই সনদ’ তৈরি করবে, যা নির্বাচন আয়োজনের রূপরেখা নির্ধারণ করবে এবং একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গঠনের পথ প্রশস্ত করবে।

তবে ঐকমত্য গঠন সহজ হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। কোন কোন কমিশন থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কেউ চাইছে তৈরি পোশাক খাত নিয়ে আলাদা কমিশন, আবার কেউ বলছেন শিক্ষা খাত যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে নারী সংস্কার কমিশন ঘিরে। এই কমিশন ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে পরিবর্তনের সুপারিশ করে, যাতে নারীদের আরও অধিক অধিকার দেওয়া হয়। ফলে ইসলামপন্থী দলগুলোর পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং বিক্ষোভ শুরু হয়।

আওয়ামী লীগের বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, “১২ মে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে, ফলে দলটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না।”

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি ও রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৫

featured Image

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হতে পারে, তবে তা ২০২৬ সালের জুনের পর যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে তিনি নিজে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত জানাননি। বিষয়টি উঠে এসেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দি ইকোনমিস্ট-এ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনও দুর্বল এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটেনি। তিনি বলেন, “বিপ্লবের ৯ মাস পরও বড় কোনো পরিবর্তন আনা সহজ নয়।”

ড. ইউনূস জানান, ‘ঐকমত্য কমিশন’ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একত্রে ‘জুলাই সনদ’ তৈরি করবে, যা নির্বাচন আয়োজনের রূপরেখা নির্ধারণ করবে এবং একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গঠনের পথ প্রশস্ত করবে।

তবে ঐকমত্য গঠন সহজ হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। কোন কোন কমিশন থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কেউ চাইছে তৈরি পোশাক খাত নিয়ে আলাদা কমিশন, আবার কেউ বলছেন শিক্ষা খাত যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে নারী সংস্কার কমিশন ঘিরে। এই কমিশন ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে পরিবর্তনের সুপারিশ করে, যাতে নারীদের আরও অধিক অধিকার দেওয়া হয়। ফলে ইসলামপন্থী দলগুলোর পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং বিক্ষোভ শুরু হয়।

আওয়ামী লীগের বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, “১২ মে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে, ফলে দলটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না।”

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি ও রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত