চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

নির্বাচনে হেরে গিয়েও ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নির্বাচনে হেরে গিয়েও ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

জাপানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। রোববার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও জোটসঙ্গী কোমেইতো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবু পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইশিবা।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ইশিবা বলেন, "এই কঠিন ফল আমি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছি। তবে এখন আমার লক্ষ্য বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতি।"

জাপানের ২৪৮ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ক্ষমতাসীন জোটের প্রয়োজন ছিল অন্তত ৫০টি আসন। তবে তারা পেয়েছে মাত্র ৪৭টি। এখনও একটি আসনের ফল ঘোষণা বাকি রয়েছে।

নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা এবং এলডিপিকে ঘিরে সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারিগুলো বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কান্দা ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অধ্যাপক জেফরি হল বলেন, এলডিপির রক্ষণশীল ভোট ব্যাংককে ভাগ করেছে একাধিক ডানপন্থী দল। ইশিবাকে যথেষ্ট রক্ষণশীল মনে করেন না শিনজো আবের অনুসারীরা। ফলে চীনবিরোধী শক্ত অবস্থানের ঘাটতিও হয়েছে ইশিবার জন্য নেতিবাচক।

উল্লেখ্য, এর আগে এলডিপির শেষ তিন প্রধানমন্ত্রী উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর দুই মাসের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারও হয়তো একই পরিণতির মুখে পড়তে পারেন ইশিবা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


নির্বাচনে হেরে গিয়েও ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৫

featured Image

জাপানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। রোববার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও জোটসঙ্গী কোমেইতো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবু পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইশিবা।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ইশিবা বলেন, "এই কঠিন ফল আমি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছি। তবে এখন আমার লক্ষ্য বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতি।"

জাপানের ২৪৮ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ক্ষমতাসীন জোটের প্রয়োজন ছিল অন্তত ৫০টি আসন। তবে তারা পেয়েছে মাত্র ৪৭টি। এখনও একটি আসনের ফল ঘোষণা বাকি রয়েছে।

নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা এবং এলডিপিকে ঘিরে সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারিগুলো বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কান্দা ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অধ্যাপক জেফরি হল বলেন, এলডিপির রক্ষণশীল ভোট ব্যাংককে ভাগ করেছে একাধিক ডানপন্থী দল। ইশিবাকে যথেষ্ট রক্ষণশীল মনে করেন না শিনজো আবের অনুসারীরা। ফলে চীনবিরোধী শক্ত অবস্থানের ঘাটতিও হয়েছে ইশিবার জন্য নেতিবাচক।

উল্লেখ্য, এর আগে এলডিপির শেষ তিন প্রধানমন্ত্রী উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর দুই মাসের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারও হয়তো একই পরিণতির মুখে পড়তে পারেন ইশিবা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত