চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় মামলা, আসামি ৪৭৫

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় মামলা, আসামি ৪৭৫

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় ৪৭৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পরদিন শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এনসিপির কর্মসূচি চলাকালে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হামলা চালায় এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে পুরো গোপালগঞ্জ শহরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৬ জুলাই) সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন নিহত হন। নিহতরা হলেন-রমজান কাজী (১৯), কোটালীপাড়ার হরিণাহাটি গ্রামের কামরুল কাজীর ছেলে, সোহেল রানা (৩৫), শানাপাড়া, দীপ্ত সাহা (৩০), উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে, ইমন তালুকদার (২৪), সদর উপজেলার ভেড়ার বাজার এলাকা, রমজান মুন্সী (৩২)।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন সন্ধ্যায় শহরে কারফিউ জারি করা হয়, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এ ঘটনায় এখনও গোপালগঞ্জ জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় মামলা, আসামি ৪৭৫

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৫

featured Image

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় ৪৭৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পরদিন শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এনসিপির কর্মসূচি চলাকালে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হামলা চালায় এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে পুরো গোপালগঞ্জ শহরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৬ জুলাই) সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন নিহত হন। নিহতরা হলেন-রমজান কাজী (১৯), কোটালীপাড়ার হরিণাহাটি গ্রামের কামরুল কাজীর ছেলে, সোহেল রানা (৩৫), শানাপাড়া, দীপ্ত সাহা (৩০), উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে, ইমন তালুকদার (২৪), সদর উপজেলার ভেড়ার বাজার এলাকা, রমজান মুন্সী (৩২)।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন সন্ধ্যায় শহরে কারফিউ জারি করা হয়, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এ ঘটনায় এখনও গোপালগঞ্জ জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত