পেহেলগামে সাম্প্রতিক হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা যুদ্ধের রূপ নিতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন এক সময়েই এই উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
শুক্রবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় এরদোগান বলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন যে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে চলমান উত্তেজনা সরাসরি সংঘাতে রূপ নিতে পারে। আমাদের নিহত ভাইদের জন্য আমি আল্লাহর রহমত কামনা করছি এবং পাকিস্তানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ ও সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
তুর্কি প্রেসিডেন্ট জানান, বৃহস্পতিবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি ভারতের অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (আইআইওজেকে) সাম্প্রতিক হামলার একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের জন্য পাকিস্তানের আহ্বানকে “মূল্যবান ও সময়োপযোগী” পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে আর ফিরে আসার উপায় থাকবে না। তাই তুরস্ক উত্তেজনা কমাতে এবং সংলাপের পথ খোলার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”
এরদোগানের এই বার্তা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা ও পাল্টাপাল্টি গোলাবিনিময় চলছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারত পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মীরের ছয়টি স্থানে বিমান হামলা চালায়, যাতে শিশুসহ ৩১ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং ৫৭ জন আহত হন।
প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান, সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর একটি ব্রিগেড সদর দপ্তর ও একাধিক চেকপোস্ট ধ্বংস করার দাবি করেছে।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, ভারতের যেকোনো দুঃসাহসিক হামলার জবাব এতটাই নির্ণায়ক ও তীব্র হবে যে "এর প্রতিধ্বনি পুরো বিশ্বে শোনা যাবে।" তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এমন প্রতিশোধের জন্য কোনো আলাদা ঘোষণা দেওয়া হবে না।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৫
পেহেলগামে সাম্প্রতিক হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা যুদ্ধের রূপ নিতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন এক সময়েই এই উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
শুক্রবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় এরদোগান বলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন যে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে চলমান উত্তেজনা সরাসরি সংঘাতে রূপ নিতে পারে। আমাদের নিহত ভাইদের জন্য আমি আল্লাহর রহমত কামনা করছি এবং পাকিস্তানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ ও সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
তুর্কি প্রেসিডেন্ট জানান, বৃহস্পতিবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি ভারতের অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (আইআইওজেকে) সাম্প্রতিক হামলার একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের জন্য পাকিস্তানের আহ্বানকে “মূল্যবান ও সময়োপযোগী” পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে আর ফিরে আসার উপায় থাকবে না। তাই তুরস্ক উত্তেজনা কমাতে এবং সংলাপের পথ খোলার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”
এরদোগানের এই বার্তা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা ও পাল্টাপাল্টি গোলাবিনিময় চলছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারত পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মীরের ছয়টি স্থানে বিমান হামলা চালায়, যাতে শিশুসহ ৩১ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং ৫৭ জন আহত হন।
প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান, সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর একটি ব্রিগেড সদর দপ্তর ও একাধিক চেকপোস্ট ধ্বংস করার দাবি করেছে।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, ভারতের যেকোনো দুঃসাহসিক হামলার জবাব এতটাই নির্ণায়ক ও তীব্র হবে যে "এর প্রতিধ্বনি পুরো বিশ্বে শোনা যাবে।" তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এমন প্রতিশোধের জন্য কোনো আলাদা ঘোষণা দেওয়া হবে না।
