চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, বাবা-মাসহ তিন শিশু দগ্ধ

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, বাবা-মাসহ তিন শিশু দগ্ধ

রাজধানীর আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচজন—বাবা, মা এবং তিন শিশু সন্তান দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ আফতাবনগরের আনন্দনগর এলাকার একটি বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- তোফাজ্জল হোসেন (৩২), তার স্ত্রী মানসুরা (২৪), তাদের তিন মেয়ে: তানিশা (১২), মিথিলা (৮) এবং তানজিলা (৪)।

স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় মুদি দোকানদার জালাল উদ্দিন বলেন, “লিকেজ হয়ে ঘরে গ্যাস জমে গিয়েছিল। কোনোভাবে আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”

তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের শরীরে কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে তা পরীক্ষার পর বলা যাবে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার শাজাহান হোসেন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। তবে স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলায় ইউনিট ফিরে আসে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে। তবে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, বাবা-মাসহ তিন শিশু দগ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৫

featured Image

রাজধানীর আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচজন—বাবা, মা এবং তিন শিশু সন্তান দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ আফতাবনগরের আনন্দনগর এলাকার একটি বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- তোফাজ্জল হোসেন (৩২), তার স্ত্রী মানসুরা (২৪), তাদের তিন মেয়ে: তানিশা (১২), মিথিলা (৮) এবং তানজিলা (৪)।

স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় মুদি দোকানদার জালাল উদ্দিন বলেন, “লিকেজ হয়ে ঘরে গ্যাস জমে গিয়েছিল। কোনোভাবে আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”

তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের শরীরে কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে তা পরীক্ষার পর বলা যাবে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার শাজাহান হোসেন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। তবে স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলায় ইউনিট ফিরে আসে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে। তবে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত