আজ ১৬ মে ২০২৬, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (শফিকুল কবির মিলনায়তন)-এ ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশে চলমান হামে শিশু মৃত্যুর ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাবে শত শত শিশুর মৃত্যু জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতা ও টিকাদান কর্মসূচির ব্যর্থতাকে সামনে এনেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ৩৬৯ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ হাজার, এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজারের বেশি।
বক্তারা বলেন, সময়মতো টিকা গ্রহণের ঘাটতি, টিকা সরবরাহ ও মজুদের সংকট, এবং ভিটামিন–এ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়া এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা ও নজরদারির দুর্বলতাও পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন পুনরায় চালু, হাসপাতালে বিশেষ হাম কর্নার স্থাপন, এবং স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।
আরও জানায়, স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, টিকা উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
আজ ১৬ মে ২০২৬, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (শফিকুল কবির মিলনায়তন)-এ ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশে চলমান হামে শিশু মৃত্যুর ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাবে শত শত শিশুর মৃত্যু জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতা ও টিকাদান কর্মসূচির ব্যর্থতাকে সামনে এনেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ৩৬৯ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ হাজার, এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজারের বেশি।
বক্তারা বলেন, সময়মতো টিকা গ্রহণের ঘাটতি, টিকা সরবরাহ ও মজুদের সংকট, এবং ভিটামিন–এ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়া এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা ও নজরদারির দুর্বলতাও পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন পুনরায় চালু, হাসপাতালে বিশেষ হাম কর্নার স্থাপন, এবং স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।
আরও জানায়, স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, টিকা উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি।
