রাজশাহীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ঘিরে ‘জম্বি মাদক’ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কের পাশে এক যুবক দীর্ঘক্ষণ অস্বাভাবিক ও ভারসাম্যহীন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন, যার আচরণকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাজশাহীর বাটার মোড়সহ কিছু এলাকায় এমন কয়েকজনকে দেখা গেছে, যারা দীর্ঘ সময় এক জায়গায় স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থেকে অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একই ধরনের ভিডিও টঙ্গীর একটি ব্যস্ত সড়ক থেকেও ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিষয়টিকে পার্শ্ববর্তী দেশে আলোচিত ‘জম্বি ড্রাগস’ বা ‘জাইলাজিন’-এর প্রভাব বলে ধারণা করছেন। এতে করে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিশ্বের কিছু দেশে ‘জাইলাজিন’ নামের শক্তিশালী নেশাজাতীয় পদার্থ ব্যবহারের কারণে মানুষের অস্বাভাবিক আচরণের খবর পাওয়া গেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ঘটনাগুলো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ভিডিও দেখে একে ‘জম্বি ড্রাগস’ বলা নিশ্চিতভাবে সঠিক নয়। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যেমন
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরি। প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত ও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
রাজশাহীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ঘিরে ‘জম্বি মাদক’ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কের পাশে এক যুবক দীর্ঘক্ষণ অস্বাভাবিক ও ভারসাম্যহীন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন, যার আচরণকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাজশাহীর বাটার মোড়সহ কিছু এলাকায় এমন কয়েকজনকে দেখা গেছে, যারা দীর্ঘ সময় এক জায়গায় স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থেকে অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একই ধরনের ভিডিও টঙ্গীর একটি ব্যস্ত সড়ক থেকেও ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিষয়টিকে পার্শ্ববর্তী দেশে আলোচিত ‘জম্বি ড্রাগস’ বা ‘জাইলাজিন’-এর প্রভাব বলে ধারণা করছেন। এতে করে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিশ্বের কিছু দেশে ‘জাইলাজিন’ নামের শক্তিশালী নেশাজাতীয় পদার্থ ব্যবহারের কারণে মানুষের অস্বাভাবিক আচরণের খবর পাওয়া গেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ঘটনাগুলো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ভিডিও দেখে একে ‘জম্বি ড্রাগস’ বলা নিশ্চিতভাবে সঠিক নয়। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যেমন
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরি। প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত ও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
