শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

এপ্রিলের সূর্যরশ্মি ও সমভূমির প্রভাবেই তাপমাত্রা সর্বোচ্চ

যশোর–চুয়াডাঙ্গায় কেন সবচেয়ে বেশি গরম? জানালেন আবহাওয়াবিদরা

যশোর–চুয়াডাঙ্গায় কেন সবচেয়ে বেশি গরম? জানালেন আবহাওয়াবিদরা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশজুড়ে যখন চলছে তীব্র দাবদাহ, তখন প্রতিবারই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় যশোর ও চুয়াডাঙ্গা এলাকায়। যশোরচুয়াডাঙ্গা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই দুই অঞ্চলে অতিরিক্ত গরম পড়ার পেছনে রয়েছে ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কয়েকটি কারণ।

এই অঞ্চলগুলো বিস্তৃত সমভূমি হওয়ায় তাপ দ্রুত শোষণ করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখে। পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত হওয়ায় সেখান থেকে উত্তপ্ত বাতাস সহজেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করে।

পাহাড় বা ঘন বনাঞ্চল না থাকায় তাপ আটকে রাখার কোনো প্রাকৃতিক বাধা নেই, ফলে সূর্যের তাপ সরাসরি ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে।

দক্ষিণ দিক থেকে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাস গরমের সঙ্গে মিশে ভ্যাপসা পরিস্থিতি তৈরি করে। এতে একই তাপমাত্রাও মানুষের কাছে অনেক বেশি অনুভূত হয়।

আবহাওয়াবিদদের মতে, আর্দ্রতা বেশি থাকলে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির মতো অনুভূত হতে পারে, যা এই অঞ্চলের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।

এপ্রিল মাসে সূর্য উত্তর গোলার্ধে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে বাংলাদেশ সরাসরি বেশি সৌর তাপ পায়। দীর্ঘ সময় সূর্যের উপস্থিতি থাকায় ভূপৃষ্ঠ অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অদ্ভুতভাবে এই একই অঞ্চল শীতকালে দেশের সবচেয়ে ঠান্ডা জায়গাগুলোর মধ্যে পড়ে। সাইবেরিয়া থেকে আসা শুষ্ক ও শীতল বাতাস সরাসরি যশোর–চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে প্রবেশ করায় তাপমাত্রা অনেক সময় ১০ ডিগ্রির নিচেও নেমে যায়।

ভৌগোলিক অবস্থান, বাতাসের প্রবাহ এবং মৌসুমি সূর্যকিরণের কারণে যশোর ও চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম চরম আবহাওয়ার অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

#গরমের_তীব্রতা #যশোর #চুয়াডাঙ্গা #তাপমাত্রা

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


যশোর–চুয়াডাঙ্গায় কেন সবচেয়ে বেশি গরম? জানালেন আবহাওয়াবিদরা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশজুড়ে যখন চলছে তীব্র দাবদাহ, তখন প্রতিবারই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় যশোর ও চুয়াডাঙ্গা এলাকায়। যশোরচুয়াডাঙ্গা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই দুই অঞ্চলে অতিরিক্ত গরম পড়ার পেছনে রয়েছে ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কয়েকটি কারণ।

এই অঞ্চলগুলো বিস্তৃত সমভূমি হওয়ায় তাপ দ্রুত শোষণ করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখে। পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত হওয়ায় সেখান থেকে উত্তপ্ত বাতাস সহজেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করে।

পাহাড় বা ঘন বনাঞ্চল না থাকায় তাপ আটকে রাখার কোনো প্রাকৃতিক বাধা নেই, ফলে সূর্যের তাপ সরাসরি ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে।

দক্ষিণ দিক থেকে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাস গরমের সঙ্গে মিশে ভ্যাপসা পরিস্থিতি তৈরি করে। এতে একই তাপমাত্রাও মানুষের কাছে অনেক বেশি অনুভূত হয়।

আবহাওয়াবিদদের মতে, আর্দ্রতা বেশি থাকলে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির মতো অনুভূত হতে পারে, যা এই অঞ্চলের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।

এপ্রিল মাসে সূর্য উত্তর গোলার্ধে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে বাংলাদেশ সরাসরি বেশি সৌর তাপ পায়। দীর্ঘ সময় সূর্যের উপস্থিতি থাকায় ভূপৃষ্ঠ অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অদ্ভুতভাবে এই একই অঞ্চল শীতকালে দেশের সবচেয়ে ঠান্ডা জায়গাগুলোর মধ্যে পড়ে। সাইবেরিয়া থেকে আসা শুষ্ক ও শীতল বাতাস সরাসরি যশোর–চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে প্রবেশ করায় তাপমাত্রা অনেক সময় ১০ ডিগ্রির নিচেও নেমে যায়।

ভৌগোলিক অবস্থান, বাতাসের প্রবাহ এবং মৌসুমি সূর্যকিরণের কারণে যশোর ও চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম চরম আবহাওয়ার অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত