ড্রোন থেকে থার্মাইট হামলা, রাশিয়ার সামরিক মহড়ায় চমক
ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সামরিক কৌশলে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়াচ্ছে রাশিয়া। দেশটির উরাল অঞ্চলের চেবারকুলস্কি সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকায় আয়োজিত ‘সেন্টার ২০২৬’ মহড়ায় ড্রোন থেকে আগুনের লাভাসদৃশ পদার্থ ছোড়ার প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে।টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত মহড়ার একটি পর্যায় সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানে ড্রোন হামলার পাশাপাশি থার্মাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগুনের মতো গলিত পদার্থ ছোড়ার কৌশল প্রদর্শন করা হয়।মহড়া শেষে পুতিন বলেন, সামরিক কমান্ডার ও সেনাসদস্যদের বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলায় দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোই এসব প্রশিক্ষণের অন্যতম লক্ষ্য।বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত এই বড় পরিসরের সামরিক মহড়ায় প্রায় ৪৭ হাজার সেনাসদস্য অংশ নিচ্ছেন। শুধু চেবারকুলস্কি প্রশিক্ষণ এলাকার চূড়ান্ত পর্বেই প্রায় ৬ হাজার সেনা সরাসরি অংশ নেন।রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ জানান, মহড়ায় প্রায় ৭০০টি সামরিক সরঞ্জাম, ৬০০টির বেশি নতুন প্রজন্মের ড্রোন এবং প্রায় ৬০টি রোবোটিক ব্যবস্থা ও যান যুক্ত হয়েছে।মহড়ায় রাশিয়ার পাশাপাশি চীন, বেলারুশ, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, মঙ্গোলিয়া ও পাকিস্তানের সামরিক দল অংশ নেয়। বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত যৌথ অনুশীলনে অংশগ্রহণকারী বাহিনীগুলোর সমন্বিত সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এপি জানিয়েছে, মহড়ার অংশ হিসেবে পুতিন নতুন দ্রুতগতির জেটচালিত ‘জেরান’ ড্রোন প্রযুক্তিও পর্যবেক্ষণ করেন। ইউক্রেন সংঘাত থেকে পাওয়া যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা রাশিয়ার সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণে কীভাবে যুক্ত হচ্ছে, মহড়ায় তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।