শিল্প-সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি, সুনামগঞ্জে ৫ গুণীজনকে সম্মাননা
শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সুনামগঞ্জের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘গুণীজন সম্মাননা ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুনাজ্জির হোসেন সুজন।এ বছর গুণীজন সম্মাননা ২০২৫ পেয়েছেনউজ্জ্বল মেহেদী — সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষণায়শাহ নূরজালাল — সাংস্কৃতিক সংগঠনেরুনা শাহীন আরা লেইছ — আবৃত্তিতেমো. যোবায়ের বখত — বংশীবাদনেহীরা মোহন তালুকদার — লোকসংগীতেএছাড়া অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালের গুণীজন সম্মাননাপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেরগুল আহমেদ-এর কথাও উল্লেখ করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, যে দেশে গুণীর কদর হয় না, সে দেশে গুণীর জন্ম হয় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৩ সাল থেকে সুনামগঞ্জে সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেবা করে আসছেন এবং লোকসাহিত্যের রাজধানী হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভবিষ্যতেও তারা জেলার শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সম্মাননা প্রদান শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।