রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মাধবপুর শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।আবেদনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, স্কুলভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষক মোটিভেশন কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়, ২০২৬ সালে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ পাওয়া উপজেলার ৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটির কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘নৈশ প্রহরী নবায়ন’ কর্মসূচির আওতায় ১৪৯টি বিদ্যালয়ের প্রতিটির কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষক মোটিভেশন কর্মসূচি, বই বিক্রির অর্থ, ইন্টারনেট বিল, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতেও অনিয়মের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।আবেদনে দাবি করা হয়েছে, এসব অনিয়মের কারণে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনো অনিয়মের সঙ্গে আমি জড়িত নই।

মাধবপুর শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো