সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

পাবিপ্রবির ছাত্রী হলে নেই ক্যানটিন, ভোগান্তিতে ১২০০ শিক্ষার্থী

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য দুটি আবাসিক হল থাকলেও সেখানে এখনো চালু হয়নি কোনো ক্যানটিন। ফলে প্রায় ১ হাজার ২৫০ জন আবাসিক শিক্ষার্থীকে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাবার ও সামগ্রী সংগ্রহে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাতৃভাষা ও গণতন্ত্র হলের শিক্ষার্থীরা জানান, হলের ভেতরে ডাইনিং সুবিধা থাকলেও সবসময় প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার পাওয়া যায় না। বিশেষ করে চা, নাশতা বা হালকা খাবারের জন্য তাদের হলের বাইরে যেতে হয়।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধার জন্য বর্তমানে মাতৃভাষা ও গণতন্ত্র নামে দুটি হল রয়েছে। মাতৃভাষা হল চালুর পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এবং গণতন্ত্র হল চালুর প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো হলেই ক্যানটিন চালু হয়নি।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিয়ে অনেক সময় অসন্তোষ তৈরি হয়। তখন বিকল্প হিসেবে বাইরে থেকে খাবার কিনতে হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পর হলের গেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাতে জরুরি প্রয়োজনেও বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।গণতন্ত্র হলের শিক্ষার্থী হুমায়রা হিসাব বলেন, ক্যানটিন না থাকায় ছোটখাটো প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরের দোকানে যেতে হয়। এতে সময় নষ্ট হয় এবং সন্ধ্যার পর বা জরুরি সময়ে বাড়তি সমস্যায় পড়তে হয়।মাতৃভাষা হলের শিক্ষার্থী ফারহানা ইয়াসমিন টিনা বলেন, ডাইনিংয়ের খাবারের বাইরে অনেক সময় চা, নাশতা বা হালকা খাবারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু পড়াশোনার ব্যস্ততা কিংবা অসুস্থতার সময় বাইরে গিয়ে এসব সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই হলে একটি ক্যানটিন চালু করা জরুরি।এ বিষয়ে মাতৃভাষা হলের প্রভোস্ট ড. রেবেকা সুলতানা রেখা বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জেনেছেন। বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে হলের স্টেশনারি শপের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পাবিপ্রবির ছাত্রী হলে নেই ক্যানটিন, ভোগান্তিতে ১২০০ শিক্ষার্থী