রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মশার উপদ্রবে নাজেহাল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা ফগার স্প্রে সাময়িক সমাধান

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)-এর আবাসিক হলগুলোতে মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সন্ধ্যা নামার পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যে, শিক্ষার্থীরা মশারির ভেতরে বসেই পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছেন।আবাসিক শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম বলেন, কয়েল জ্বালিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত মশারির ভেতরে বসেই পড়তে হচ্ছে। একই সমস্যার কথা জানিয়েছেন অধিকাংশ আবাসিক শিক্ষার্থী।সরেজমিনে দেখা গেছে, হলগুলোর আশপাশের ড্রেন দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় সেখানে ময়লা ও পানি জমে আছে। প্লাস্টিক, পলিথিনসহ নানা আবর্জনায় ভরা এসব ড্রেন এখন মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।হজরত বিবি খাদিজা হলের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান হ্যাপী বলেন, অতিরিক্ত মশার কারণে জানালা খোলা রাখা যায় না। গরমের মধ্যেও দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। কয়েকদিন পরপর স্প্রে করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না।আব্দুল মালেক উকিল হলের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত সিয়াম জানান, গরম শুরুর আগেই মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। জানালার পাশে ড্রেন থাকায় সেটি খোলা সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়ে মশারি ব্যবহার করতে হচ্ছে।ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হলের শিক্ষার্থী তৌহিদুর রহমান বলেন, ফগার মেশিন সাময়িকভাবে কাজ করলেও ড্রেন পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা ছাড়া সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।এ বিষয়ে একই হলের প্রভোস্ট ফরিদ দেওয়ান বলেন, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা ছাড়া স্থায়ী সমাধান কঠিন। ডাস্টবিন বাড়ানো হয়েছে এবং ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট তসলিম মাহমুদ জানান, প্রতি সপ্তাহে স্প্রে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ড্রেনগুলো আরও ভালোভাবে পরিষ্কার করা হবে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

মশার উপদ্রবে নাজেহাল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা ফগার স্প্রে সাময়িক সমাধান