৯৩% মেধায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি, কোটা বিরোধী জোটের আল্টিমেটাম
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ, শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতসহ কয়েক দফা দাবি জানিয়েছে কোটা বিরোধী ঐক্যজোট।সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় রাঙ্গামাটির বনরূপাস্থ আয়োজন রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, উপজেলাভিত্তিক কোটার বিন্যাস প্রকাশ এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। এতে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে তারা দাবি করেন।বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগগুলোর নিয়োগে ৬৭ শতাংশ উপজাতি ও ৩৩ শতাংশ বাঙালি কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এতে মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।তারা আরও বলেন, নিয়োগ ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার ও সমতার নীতি নিশ্চিত করতে হবে। তরুণদের ন্যায্য সুযোগ দিতে বৈষম্যমুক্ত নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান তারা।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জনি, সদস্য সচিব মো. নুরুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলে রাব্বী, মো. ইব্রাহিম রুবেল, মো. রুবেল হোসেন, মো. নাসিমুল গণি, সদস্য মো. হাবিবউল্লাহ, মো. আরিফুল হক, মুন্নি আক্তার ও জান্নাতুল ফেরদৌস।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যার পরও যদি জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে টালবাহানা বা কালক্ষেপণ করে, তাহলে পাহাড়ের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।