বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

রেলস্টেশন ইস্যুতে মুখ খুললেন এমপি কাজী শহীদ, ‘রায়পুরের দাবি গুরুত্ব পাবে’

লক্ষ্মীপুরে সম্ভাব্য রেলপথ ও রেলস্টেশন স্থাপনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা, মতামত ও উদ্বেগের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল।তিনি বলেন, রায়পুরসহ লক্ষ্মীপুর-২ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রত্যাশা ও রেলস্টেশন সংক্রান্ত উদ্বেগকে সম্মান করা হয়। জনগণের মতামত ও দাবি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল জানান, রেলপথের মতো বৃহৎ জাতীয় অবকাঠামোগত প্রকল্প কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট এলাকার পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না। বরং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভূমি অধিগ্রহণের সুযোগ, যাত্রী চাহিদা এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সুবিধার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে পরিচালিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় দালাল বাজার এলাকাকে সম্ভাব্য রেলস্টেশনের জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে এর অর্থ এই নয় যে অন্য এলাকার মানুষের মতামত উপেক্ষা করা হবে।তিনি আরও বলেন, রায়পুরের মানুষ যদি মনে করেন যে সেখানে রেলস্টেশন স্থাপন অধিক যৌক্তিক এবং এতে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে, তাহলে সেই দাবি যথাযথভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বাস্তবতার ভিত্তিতে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।এ সময় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের রায়পুর উপজেলা, সদর পশ্চিমের ইউনিয়নসমূহ ও পৌরসভার প্রতিটি মানুষ তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের আঞ্চলিক বিভেদ বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য কোনো একটি অঞ্চলকে অন্য অঞ্চলের বিপরীতে দাঁড় করানো নয়; বরং এমন উন্নয়ন নিশ্চিত করা, যাতে সমগ্র লক্ষ্মীপুর উপকৃত হয়। জনগণের ন্যায্য দাবি আমরা জাতীয় সংসদসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলে তুলে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

রেলস্টেশন ইস্যুতে মুখ খুললেন এমপি কাজী শহীদ, ‘রায়পুরের দাবি গুরুত্ব পাবে’