বলিউডে রিমেক গানের ঝড়, ফিরছে পুরোনো নস্টালজিয়া
বলিউডে বর্তমানে পুরোনো জনপ্রিয় গানগুলো নতুনভাবে রিমেক করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হিট গান নতুন সংস্করণে ফিরে আসায় শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা।সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে বরুণ ধাওয়ানের নতুন সিনেমা ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এ ১৯৯৯ সালের জনপ্রিয় গান ‘চুনরি চুনরি’র নতুন ভার্সন ব্যবহার করা হয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।এছাড়া আসন্ন ছবি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এ থাকছে ‘উঁচা লম্বা কদ ফরএভার’, যা পুরোনো জনপ্রিয় গানটির আধুনিক রিমেক। নতুন সংস্করণে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে দেখা গেছে দিশা পাটানিকে, যা ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।বলিউডে এর আগে ‘বিজুরিয়া’, সাত সমুন্দর পার, গোরি হ্যায় কালাইয়াঁ এবং ‘চোর বাজারি ফির সে’-এর মতো একাধিক গান নতুনভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তবে সব রিমেকই সমান জনপ্রিয়তা পায়নি।অনেক ক্ষেত্রে মূল গানের কণ্ঠশিল্পী ও ভক্তদের সমালোচনার মুখেও পড়েছে এসব রিমেক। বিশেষ করে ‘চুনরি চুনরি’ রিমেক নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বিষয়টি।বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমার প্রচারণায় গান এখন বড় ভূমিকা রাখে। তাই নির্মাতারা নতুন গান তৈরির ঝুঁকি না নিয়ে জনপ্রিয় পুরোনো গানকেই আধুনিক সাউন্ডে উপস্থাপন করছেন, যাতে দ্রুত দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়।
তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে এই নস্টালজিয়া নির্ভর ট্রেন্ড কি দীর্ঘমেয়াদে বলিউডকে এগিয়ে নেবে, নাকি দর্শক আবারও নতুন মৌলিক গানই বেশি গ্রহণ করবে?