সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য

দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবুকে দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি ৫০ বছর পেরিয়ে গেছেন। বড় পর্দায় এখনো তিনি যেন এক টগবগে তরুণ। বয়সকে হার মানানো তাঁর ফিটনেস ও তারুণ্যের রহস্য জানতে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই।সম্প্রতি এস এস রাজামৌলির নতুন সিনেমার প্রচারে হায়দরাবাদে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন মহেশ বাবু। সিনেমায় ‘রুদ্র’ চরিত্রে তাঁর লুক দেখে ভক্তরা মুগ্ধ হন। এরপর থেকেই তাঁর ফিটনেস রুটিন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।ভারতীয় এক গণমাধ্যমে মহেশ বাবুর ফিটনেস ট্রেইনার কুমার মান্নভা জানান, ফিটনেস তাঁর কাছে কোনো নির্দিষ্ট সিনেমার প্রস্তুতি নয়; বরং এটি দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশ। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় দেন শরীরচর্চায়।মহেশ বাবুর ব্যায়ামের রুটিনে রয়েছে কার্ডিও, স্কোয়াট, স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও স্ট্রেচিং। বিশেষ করে স্ট্রেচিং তাঁর অন্যতম পছন্দের অনুশীলন, যা শরীরের নমনীয়তা ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।শুধু ব্যায়াম নয়, সুষম খাদ্যাভ্যাসও তাঁর ফিটনেসের অন্যতম ভিত্তি। ট্রেইনারের মতে, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ বার অল্প অল্প করে খাবার খান। পাশাপাশি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট শেকও গ্রহণ করেন, যা অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করে।প্রতিদিন সকালের নাশতায় থাকে ওটস, সেদ্ধ ডিম, শুকনো ফল ও মৌসুমি ফল। দুপুরে তিনি ব্রাউন রাইস, মাছ কিংবা মাংসের সঙ্গে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। রাতের খাবারেও থাকে ব্রাউন ব্রেড, সেদ্ধ ডিম অথবা চিকেন স্টুর মতো হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার।ট্রেইনার কুমার মান্নভা বলেন, মহেশ বাবু সারা বছরই শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকেন। নিয়মিত ব্যায়াম এবং খাদ্যনিয়ন্ত্রণই তাঁর সুস্বাস্থ্যের মূল রহস্য।আজকের ব্যস্ত জীবনে দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অনেকেই শর্টকাট পথ খুঁজলেও, মহেশ বাবুর উদাহরণ দেখায়-সুস্থ ও ফিট থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য এবং শৃঙ্খলিত জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য