সুনামগঞ্জে কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার, র্যাব-৯ অভিযান
র্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে।রবিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ) এর একটি আভিযানিক দল জেলার জগন্নাথপুর পৌরসভা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। ভিকটিম সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭/৯(১)/৩০ ধারায় দায়ের করা একটি মামলার ভুক্তভোগী।মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম জেলার সদর মডেল থানাধীন দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তদের মধ্যে ২নং বিবাদী সৈয়দ আইনুল হক ভিকটিমের আত্মীয় ও প্রতিবেশী। ১নং বিবাদী মো. হৃদয় তার বাড়িতে থেকে সিএনজি চালাত এবং সেই সূত্রে ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করত। পরবর্তীতে সে ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতে থাকে।ভিকটিম বিষয়টি তার মাকে জানালে তার মা ২নং বিবাদীর কাছে বিচার চান। পরে ২নং বিবাদী ভিকটিমের পরিবারের কাছে ১নং বিবাদীর সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তবে ভিকটিম নাবালিকা হওয়ায় তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। এরপর থেকেই আসামিরা ভিকটিমকে অপহরণের সুযোগ খুঁজতে থাকে।ঘটনার দিন, ১৩/০১/২০২৬ তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আসামিরা ভিকটিমের ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ১নং বিবাদীর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরে পরিবারের আশঙ্কা অনুযায়ী তাকে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নির্যাতন করা হয়।এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।এর আগে চলতি বছরের ২০ জুন ২০২৬ তারিখে মামলার প্রধান আসামিকে র্যাব-৯ গ্রেপ্তার করে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।