বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি বন্ধের প্রতিবাদ, ট্রাস্টির সংবাদ সম্মেলন

চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ড। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা, ট্রাস্টি বোর্ডের বৈধতা ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টির সদস্যরা এসব অভিযোগ ও বক্তব্য তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, ২০১২ সালে ‘দি ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ এর মাধ্যমে ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ২০১৫ সালে গঠিত আরেকটি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা দাবি করায় বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।তাদের প্রশ্ন, ২০১৫ সালে গঠিত একটি ট্রাস্ট কীভাবে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা দাবি করতে পারে। এই বিরোধের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তারা।সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের উপস্থিতি, স্লোগান ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় চেয়ারম্যানের কার্যালয় দখল এবং ফাইন্যান্স ডাইরেক্টরের কক্ষে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তোলা হয়।প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিরা আরও অভিযোগ করেন, ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ক্ষেত্রে ইউজিসির নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি।তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) জানানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও বিষয়টির সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে গঠিত ট্রাস্টে পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছিল। তারা দাবি করেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিরা আরও বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর পর গত ২১ জুলাই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব বুঝে নেন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছিল বলে জানান তারা।তবে দুই দিনের মাথায় ২৩ জুলাই পুনরায় অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।সংবাদ সম্মেলন থেকে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বিষয় উদঘাটন, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি বন্ধের প্রতিবাদ, ট্রাস্টির সংবাদ সম্মেলন