ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথে বিদেশযাত্রা ঠেকাতে সরকারের কড়া পদক্ষেপ
সমুদ্রপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, অবৈধভাবে সাগরপথে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতেই হবে এবং যারা তরুণদের মৃত্যুর ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ব্র্যাক আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শীর্ষক এই কর্মশালায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এ প্রবণতা বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে সহজ ও নিরাপদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি আরও জানান, প্রবাসীদের ঘামঝরা উপার্জন দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তাই বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের সহায়তায় কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম জোরদার করা হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ। তারা দক্ষতা উন্নয়ন, বৈধ রিক্রুটিং প্রক্রিয়া এবং বিদেশফেরতদের মনোসামাজিক সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বৈধ পথে বিদেশগমন নিশ্চিত করা গেলে অনিয়মিত অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।