পিলখানা ট্র্যাজেডির পর রেবেল হান্ট ১০ বিডিআর হত্যার ভয়াবহ দাবি জিয়াউলকে ঘিরে
২০০৯ সালের পিলখানা ট্র্যাজেডি -এর পরবর্তী সময়ের একটি গোপন অভিযানের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে।সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান -এর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তার সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস। তিনি দাবি করেন, অপারেশন রেবেল হান্ট নামে একটি অভিযানে অন্তত ১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করা হয়।সাক্ষ্যে বলা হয়, প্রথমে কয়েকজনকে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করা হয় এবং পরে বুড়িগঙ্গা নদীতে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। তবে এসব বক্তব্য আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগ ও সাক্ষ্যের অংশ হিসেবে এসেছে।ইমরুল কায়েস আরও দাবি করেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে হত্যাকাণ্ড, ২০১০–২০১৩ সময়ে বরগুনায় একাধিক হত্যার ঘটনায়ও জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া ২০১২ সালে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গও তিনি আদালতে তুলে ধরেন বলে জানা যায়।তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী -এর সঙ্গে জিয়াউল আহসানের একটি কথিত গোপন ফোনালাপের বিষয়েও আদালতে বক্তব্য দেন।
তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারাধীন মামলার অংশ এবং আদালতের রায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে।