লন্ডন ছেড়ে পাকিস্তানে, আজ শোবিজের সুপারস্টার কুবরা খান
লন্ডনের বিলাসী জীবন ছেড়ে পাকিস্তানের বিনোদন অঙ্গনে পা রাখা কুবরা খান আজ দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় সুপারস্টার। জন্মনাম রাবিয়া খান হলেও দর্শকদের কাছে তিনি বেশি পরিচিত কুবরা খান নামেই।২০১৪ সালে না মালুম আফরাদ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম সিনেমাতেই নজর কাড়েন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। এরপর একের পর এক সফল সিনেমা ও নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন পাকিস্তানি শোবিজে।যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা কুবরার পাকিস্তানি ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশটাও ছিল বেশ নাটকীয়। এক বন্ধুর বিয়েতে অংশ নিতে গিয়ে নির্মাতাদের নজরে পড়েন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় তার রুপালি পর্দার যাত্রা।পরে জাওয়ানি ফির নাহি আনি ২ এবং লন্ডনে যাব না এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমা তাকে তারকাখ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়।শুধু সিনেমা নয়, ছোটপর্দাতেও সমান জনপ্রিয় কুবরা খান। সাং ই-মার মার নাটকের শিরিন চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি। শুরুতে উর্দু উচ্চারণে দুর্বলতা থাকলেও কঠোর পরিশ্রমে সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠেন।তার অভিনীত আলিফ সিনফ-ই-আহান এবং নূর জাহান নাটকগুলো দর্শকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ভিন্নধর্মী চরিত্র বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তার পরিপক্বতা স্পষ্ট।ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে অস্ত্রোপচার ও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ওজন বেড়ে যাওয়ায় তাকে বডিশেমিংয়ের শিকার হতে হয়। তবে কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসে আবারও নিজেকে ফিট করে শক্তভাবে ফিরে আসেন তিনি।ব্যক্তিগত জীবনেও বেশ আলোচনায় ছিলেন কুবরা খান। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহ-অভিনেতা গোহর রশীদ এর সঙ্গে পরবর্তীতে মক্কায় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।
সমালোচনা, ট্রোল ও বাধা পেরিয়ে কুবরা খান প্রমাণ করেছেন আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমই একজন প্রকৃত তারকার সবচেয়ে বড় শক্তি।